পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নয়ন এর সমস্যা সমাধান ক্লাসটি “ট্রান্সমিশন এন্ড ডিস্ট্রিবিউশন অব ইলেকট্রিক্যাল পাওয়ার -১ [ Transmission and Distribution of Electrical Power-1 ]” কোর্সের “অধ্যায় ০২ /Chapter 02” এ পড়ানো হয় | এই ক্লাসটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড [Bangladesh Technical Education Board] এর পলিটেকনিক [Polytechnic] ডিসিপ্লিন এর ৬ষ্ঠ সেমিস্টার, ইলেকট্রিক্যাল টেকনোলজি [ 6th Semester, Electrical Technology ] এ পড়ানো হয়।
Table of Contents
পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নয়ন এর সমস্যা সমাধান
পাওয়ার ফ্যাক্টর কি?
ভোল্টেজ ও কারেন্টের মধ্যবর্তী কোসাইন কোনকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। অথবা কারেন্টের অনুগামী ও অগ্রগামী কোসাইন কোণকে পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। একে cosǾ দ্বারা বুজানো হয়। সহজ কথায় কারেন্ট ভোল্টেজের কতটুকও আগে বা পিছনে আছে এটাকে বুজায়। কারেন্ট ও ভোল্টেজ যদি এক সাথে থাকে তাকে পাওয়ার ফ্যাক্টর ১ বলে। আবার রেজিস্টান্ট ও ইম্পিড্যান্সকে এর অনুপাতকেও(cosǾ=R/Z.) পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। power factor হচ্ছে cos¢.আর এই ¢ হচ্ছে voltage and current এর মাঝে কৌনিক পাথক্য. কারেন্ট এবং ভোল্টেজের মাঝে সর্বোচ্চ কৌনি ব্যবধান ৩৬০.আর cos360=1.এই জন্য pfi এর মান একের বেশী হয় না।

পাওয়ার ফ্যাক্টর কেন ব্যবহার করা হয়?
পাওয়ার ফ্যাক্টর ব্যাবহার করা হয়, শতকরা কত ভাগ কারেন্ট আমরা প্রয়োজনীয় কাজে ব্যবহার করতে পারি তা নির্নয়ের জন্য।অর্থাত্, ইনপুটে সাপ্লাই যদি ১০০ কিলো ভোল্ট দেওয়া হয় তবে সেখান থেকে আউটপুটে কত ভোল্ট পেলাম এটা নির্নয়ের জন্য পাওয়ার ফ্যাক্টর ব্যবহার করা হয়। একে “কস থিটা” দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।
ল্যাগিং, লিডিং এবং ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলতে কি বোঝায়?
ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর: ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর হলো যখন কারেন্ট ভোল্টেজের থেকে পিছিয়ে থাকে বা এসি সার্কিটে ক্যাপাসিটিভ লোডের চেয়ে ইন্ডাক্টিভ লোড বেশী হলে তাকে ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। যেমন ৮০ ডিগ্রী ল্যাগিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলতে বুঝায় কারেন্ট ভোল্টেজের সাপেক্ষে পাওয়ার ফ্যাক্টর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা৮০ ডিগ্রী পিছিয়ে আছে।
লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর: এসি সার্কিটে ইন্ডাক্টিভ লোডের চেয়ে ক্যাপাসিটিভ লোড বেশি হলে অর্থাৎ কারেন্ট ভোল্টেজের চেয়ে এগিয়ে থাকলে তাকে লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। যেমন ৮০ ডিগ্রী লিডিং পাওয়ার ফ্যাক্টর নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাপাওয়ার ফ্যাক্টর হলো কারেন্ট ভোল্টেজে চেয়ে ৮০ ডিগ্রী এগিয়ে থাকবে।
ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর: সার্কিটে কারেন্ট এবং ভোল্টেজ যখন একই সাথে অবস্থান করে অর্থাৎ সার্কিটে ইন্ডাক্টিভ এবং ক্যাপাসিটিভ লোড যখন সমান হয় তখন তাকে ইউনিটি পাওয়ার ফ্যাক্টর বলে। যদি লোড Capacitive হয় তাহলে পাওয়ার ফ্যাক্টর লিডিং হয় আর যদি লোড Inductive হয় তাহলে পাওয়ার ফ্যাক্টর ল্যাগিং হয়। লোড Resistive হলে পাওয়ার ফ্যাক্টর Unity হয়, অর্থাৎ ‘এক’ ।
পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% বলতে কি বুঝ?
পাওয়ার ফ্যাক্টর ৮০% অর্থাৎ Cosθ= ০.৮ বলতে বুঝি ১০০ kVA সাপ্লাই পাওয়ার হলে ৮০ কিলোওয়াট একটিভ পাওয়ার পাওয়া যাবে। পাওয়ার ফ্যাক্টর লোড এর উপর র্নিভর করে।

পাওয়ার ফ্যাক্টর উন্নয়নের সমস্যা সমাধান নিয়ে বিস্তারিত :