মোটরের অশ্ব ক্ষমতা বের করা ক্লাসটি বেসিক ইলেকট্রিসিটি [ Basic Electricityr ] কোর্সের “অধ্যায় ৫, এপলাই কনসেপ্ট অফ ইলেকট্রিক পাওয়ার এন্ড এনার্জি [ 5th Chapter, Apply the concept of Electric Power and Energy ]” | এই ক্লাসটি বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ড [Bangladesh Technical Education Board] এর পলিটেকনিক [Polytechnic] ডিসিপ্লিন এর ডিপ্লোমা ইন ইলেক্ট্রিক্যাল [Diploma in Electrical], “১ম সেমিস্টার, ইলেকট্রিকাল টেকনোলজি [ 1st Semester, Electrical Technology ]” এ পড়ানো হয়।
মোটরের অশ্ব ক্ষমতা বের করা
অশ্বশক্তি হল ক্ষমতার একক যা একটি ইঞ্জিন কতটা শক্তিশালী তা পরিমাপের জন্য ব্যবহৃত হয়। । এটি প্রায় ৭৪৬ ওয়াটের সমান।ধারণাটি সর্বপ্রথম জেমস ওয়াট দ্বারা উপস্থাপন করেন, যিনি বাষ্পীয় ইঞ্জিন আবিষ্কার করেছিলেন।যেহেতু মানুষ ঘোড়া ব্যবহার করতে অভ্যস্ত ছিল,এই শক্তির পরিমাণ সেই সময়ে অধিকাংশ লোক অনুমান করতে পারতেন।ছোট মোটর ১০ অশ্বশক্তি তৈরি করতে পারে যেখানে একটি জেট ইঞ্জিন ১০০০ অশ্বশক্তি তৈরি করতে পারে।

জেমস ওয়াটের বাষ্পীয় ইঞ্জিন যে তখনকার সময়ের ঘোড়াগুলোর চেয়ে বেশি কার্যকরী এবং তা সাধারণ মানুষের কাছে বাষ্পীয় ইঞ্জিন এর ক্ষমতা তুলে ধরার জন্য এ এককের বিপণন কৌশল হিসাবে এ একক দেন । তার নতুন উদ্ভাবিত বাষ্প ইঞ্জিন বিক্রি করার চেষ্টা করার সময়, ওয়াট বুঝতে পেরেছিলেন যে তার অনেক গ্রাহক ঘোড়া প্রতিস্থাপনের জন্য মেশিনটি ব্যবহার করবে, তাই তিনি একটি ঘোড়ার দ্বারা সরবরাহিত শক্তি পরিমাপ করেন।
তাই তিনি ১৯৭০-এর দশকে তিনি একটি কূপের নিচ থেকে ১০০ পাউন্ড (৪৫ কেজি) ভর টানার জন্য দুটি ভারী ড্রে ঘোড়া খাটান এবং দেখতে পান যে তারা ঘন্টায় ২.৫ মাইল বেগে স্বাচ্ছন্দ্যে হেঁটে কাজটি অর্জন করতে পারে। ওয়াট তারপরে ঘর্ষণ কাটানো কাজের জন্য হিসাবটিতে একটি অতিরিক্ত ৫০% যোগ করেন এবং ১ হর্সপাওয়ার সংজ্ঞায়িত করেন। ওয়াট ইচ্ছাকৃতভাবে ঘোড়ার শক্তি আউটপুটকে অতিরিক্ত মূল্যায়ন করেছিলেন যাতে তার স্টিম ইঞ্জিনগুলি প্রতিস্থাপিত ঘোড়াগুলির চেয়ে ভাল পারফর্ম করে।
সাধারণ কিংবদন্তি বলে যে এককটি তৈরি হয়েছিল যখন ওয়াটের প্রথম গ্রাহকদের মধ্যে একজন সুরা-প্রস্তুতকারী(brewer) এমন একটি ইঞ্জিন চেয়েছিলেন যা একটি বলিষ্ঠ ঘোড়া মতো এবং সর্বোচ সীমায় কাজ করবে।ওয়াট, চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করলেন এবং এমন একটি মেশিন তৈরি করলেন যা আসলে সুরা-প্রস্তুতকারী যা চেয়ে ছিলেন তার তুলনায়ও অনেক বেশি শক্তিশালী ছিল, এবং এই মেশিনের শক্তি আউটপুটকেই অশ্বশক্তি বা horsepower বলে।
এখানে P হচ্ছে ক্ষমতা W হচ্ছে বস্তু কর্তৃক সম্পাদিত কাজ। t সময় , s সরণ। এস আই এককে (ওয়াট) ক্ষমতাকে ৭৪৬ দ্বারা ভাগ করলে সেই যন্ত্রের অশ্বক্ষমতা পাওয়া যায়।

মোটরের অশ্ব ক্ষমতা বের করা নিয়ে বিস্তারিত :