কালার কোড ও ওহমমিটারের মাধ্যমে রেজিস্টরের মান নির্ণয়করণ ক্লাসটি ইলেক্ট্রিকাল সার্কিট-২, ৬৬৭৩১ [ Electrical Circuit – 2, 66731] কোর্সের অংশ | কালার কোড ও ওহমমিটারের মাধ্যমে রেজিস্টরের মান নির্ণয়করণ [ Determining the value of register through color code and ohm meter ] এর উপায় দেখানো হয়েছে এই ভিডিওটিতে।
কালার কোড ও ওহমমিটারের মাধ্যমে রেজিস্টরের মান নির্ণয়করণ
কালার কোড কীঃ
“সব রেজিস্ট্যান্স এক নয় !” একই সাইজের, একই ধরনের দেখতে হলেও প্রতিটি রেজিস্টরের একেকটি মান (Value) আছে। রেজিস্টরের ‘মান (Value)’ যত বেশি, সেটি ততো বেশি ভোল্টেজ কমিয়ে দিতে পারে। বড় সাইজের রেজিস্টরগুলোর গায়ে তার মান লেখার মতো যথেষ্ট জায়গা থাকলেও সাধারণ ইলেক্ট্রিক ও ইলেক্ট্রনিক কাজে ব্যবহৃত ছোট সাইজের রেজিস্টরগুলো এতই ছোট যে তার গায়ে রেজিস্ট্যান্স এর মান লিখবার জায়গা থাকেনা। অথচ সঠিক মানের রেজিস্ট্যান্স ব্যবহার না করলে মুহূর্তে নষ্ট হতে পারে ডিভাইস।
এমন বিপদে রক্ষাকর্তা – রেজিস্ট্যান্স কালার- কোড। প্রতিটি ক্ষুদ্র রেজিস্ট্যান্সের গায়ে কয়েকটি রঙের দাগ কাটা থাকে। এই দাগগুলোর রঙ আর অবস্থান দেখে পুরোপুরি সূক্ষ্ণভাবে খুব দ্রুত হিসেব করে ফেলা যায় রেজিস্টরের মান।

কালার কোডের হিসাবঃ
কালার কোডের হিসেব জানতে প্রথমে জানা প্রয়োজন প্রতিটি কালারের মান। উল্লেখ্য, বাংলাদেশে সাধারণ কাজে সাধারণত 4 band resistor ব্যবহৃত হয়। এই রেজিস্টরগুলোতে চারটি রঙিন দাগ থাকে। এগুলো ছাড়াও ৫ এবং ৬ দাগের রেজিস্টরও পাওয়া যায়। এই লেখার আলোচনা চার দাগের রেজিস্টরের জন্য প্রযোজ্য।
একটি সমস্যাঃ রেজিস্টরের কালার -কোড হিসেব করতে একটি সমস্যার মুখোমুখি হতে হয় প্রথম দিকে – কালারগুলো কোন দিক থেকে শুরু, কোন দিকে শেষ তা বুঝা যায় না। যেমন, প্রথম উদাহরণের কালার ছিল লাল-লাল-কমলা-সোনালী। উলটো করে ধরলে এরই কোড হবে সোনালী-কমলা-লাল-লাল।
সমাধানঃ সোনালী এবং রূপালী কালারের দাগগুলো সবসময় শেষ দাগ হিসেবে ধরতে হবে। বাকি প্রথম তিনটি দাগ দিয়ে মান হিসেব করতে হবে। এই উপায় সাধারণ মানের রেজিস্টরগুলোর ক্ষেত্রে প্রযোজ্য।
উন্নতমানের একুরেসির রেজিস্টরগুলোর ক্ষেত্রে চারটি কালারের মধ্যে তিনটি কালার অনেকটাই পাশাপাশি থাকে, শেষ কালারটির মধ্যে ফাঁক থাকে একটু বেশি। এক্ষেত্রে প্রথম তিনটি কালারকে মান হিসেবের জন্য নিতে হবে।

কালার কোড ও ওহমমিটারের মাধ্যমে রেজিস্টরের মান নির্ণয়করণ নিয়ে বিস্তারিত :