সরাসরি তুল্য রোধ বের করার উপায় সার্কিট কে বারবার পরিবর্তন করে না অঙ্কন করে সরাসরি কিভাবে তুল্য রোধ নির্ণয় করা যায় তা দেখানো হয়েছে এই ক্লাসে। এই ক্লাসটি করার আগে অবশ্যই তুল্য রোধের ক্লাস করে আসতে হবে ।
Table of Contents
সরাসরি তুল্য রোধ বের করার উপায়
কোন বর্তনীতে বিদ্যমান রোধগুলোর পরিবর্তে যে বিশেষ মানের কোন রোধের জন্য বর্তনীতে বিভব এবং তড়িৎ প্রবাহ অপরিবর্তিত থাকে, সেই মানটিকে ঐ বর্তনীর তুল্য রোধ (Req) বলে ।

তুল্য রোধ দুই ধরনের হয়ে থাকে–
- শ্রেণি (অনুক্রমিক) সমবায়ের (বা শ্রেণি বর্তনীর) তুল্যরোধ (RS)
- সমান্তরাল সমবায়ের তুল্য রোধ (RP)
শ্রেণি সমবায়
![]()
যখন কোন বর্তনীতে তার রোধগুলি গুলো একই পথে যুক্ত থাকে অর্থাৎ একটির শেষ প্রান্তের সাথে অপরটির প্রথম প্রান্ত যুক্ত থাকে তখন তাকে শ্রেণি বর্তনী বলে এবং এক্ষেত্রে বর্তনীর সকল উপাদানের মধ্যে দিয়ে একই পরিমাণ বিদ্যুৎ প্রবাহিত হয়।
একটি পরিবাহী তারে 1,2,3,… ইত্যাদি রোধ শ্রেণি সমবায়ে থাকলে, তুল্যরোধ() হবে–
সমান্তরাল সমবায়
![]()
অপরদিকে যখন কোন বর্তনীতে সবগুলো রোধের প্রথম প্রান্ত একটিমাত্র সাধারণ বিন্দুতে এবং অপরপ্রান্ত অপর একটিমাত্র সাধারণ বিন্দুতে যুক্ত থাকে তখন সে বর্তনীকে বলা হয় সমান্তরাল বর্তনী। সমান্তরাল বর্তনীতে তার প্রত্যেক উপাদানের বিভব পার্থক্য একই থাকে।
একটি পরিবাহী তারে 1,2,3,… ইত্যাদি রোধ সমান্তরাল সমবায়ে থাকলে, তুল্যরোধ () হবে–
দুটি রোধ ′ ও ″ সমান্তরাল সমবায়ে থাকলে, তুল্য রোধ হবে–
এবারে কোনো বর্তনীতে একাধিক রোধ থাকলে সেগুলোকে কীভাবে একটি ভুল্য রোধ হিসেবে বিবেচনা করা যায় আমরা সেই বিষয়টি দেখে নেই । 11.03 চিত্রের সার্কিটে দুটো রোধ লাগানো আছে, যেহেতু C ভূমিসংলগ্ন তাই তার বিভব শূন্য এবং A এর বিভব V। আমরা B এর বিভব কত জানি না, কিন্তু এটুকু জানি যে 1 এবং2 দুটোর ভেতর দিয়েই সমান পরিমাণ বিদ্যুৎ I প্রবাহিত হচ্ছে। আমরা এমনিতেই বলে দিতে পারি যে দুটো রোধের যোগফলটি হবে মোট রোধ R এবং বিদ্যুৎ প্রবাহ হবে 1 = V/R কিন্তু সেভাবে না লিখে আমরা বরং এটা প্রমাণ করে ফেলি।
